নীচে Specification এ ক্লিক করে রাউটারের Speciation দেখে আসতে পারেন।
Specification
রাউটারটির প্রধান আকর্ষণ গুলো হলো এর 600mps ব্যান্ডউইথ, ৪টি 6dbi antenna, ও beam forming technology।
রাউটারটির খারাপ দিক
রাউটারটি আমি ৬ মাস যাবত ব্যাবহার করছি। রাউটারের এমন চোখে পড়ার মত স্পেসিফিকেশন দেখে হয়ত অনেকই অবাক হয়েছেন কিন্তু বাস্তবে এটির কোনোটিই খুব একটা কার্যকরী না। 600mbps রাউটার হলেও এটির ব্যাবহার অভিজ্ঞতা ছিল অন্যান্য Tp link এর 300mbps রাউটারের থেকে সমান্য ভালো। এর ৪টি 6dbi antenna খুব একটা পার্থক্য তৈরী করতে পারেনি, যেমন আহামরি ভেবেছিলাম তেমনটা না। প্রথম ৪ মাস এটি খুব ভালো সার্ভিস দিলেও, এটির hang হয়ে যাওয়ার প্রবনতা রয়েছে। তবে এটি খুবই সচারাচর নয়, মাঝে মাঝে। যদি আপনার রাতে রাউটার বন্ধ করে রাখার অভ্যেস থাকে তাহলে,রাউটার hang হওয়ার সমস্যায় আপনি পড়বেন না।
Tenda F9 এর ভালো দিক
বাজারে এই দামে 600mbps রাউটার নেই বললেই চলে, tenda f9 বাজারে বিদ্যমান একই মুল্যের অন্যান্য tp link রাউটার থেকে ভালো সার্ভিস দিবে নিশ্চিত। এর 6dbi antenna গুলো অন্যান্য 5dbi এর থেকে কিছুটা হলেও বেটার সার্ভিস দিয়েছে এছাড়াও রাউটার ম্যানেজ করার জন্য App রয়েছে যার কিছু ইউনিক সুবিধা রয়েছে। App এর মাধ্যমে আপনি নিদৃষ্ট ডিভাইসের ব্যান্ডউইথ সিলেক্ট করে দিতে পারবেন, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন, প্রত্যেকটি ডিভাইস কি পরিমান ডাটা ব্যাবহার করছে, নিদৃষ্ট ডিভাইসকে ব্ল্যাকলিস্ট করা, রাউটার রিবুট করা, এছাড়া wifi on/off এর সেডিউল করে দেওয়া, রাউটারের ক্যাস, সিকিউরিটি চেক ইত্যাদি app এর মাধ্যমেই খুব সহজেই ম্যানেজ করা সম্ভব। এছাড়াও রাউটারটি সারাদিন ব্যাবহারের পরও খুবই সামান্যই গরম হয় এর যথেষ্ট পরিমান ভেন্ট থাকার কারনে।
আপনার বাজেট যদি ২৫০০ এর মধ্যে হয়ে থাকে আপনি রাউটারটি নিতে পারেন, তবে আমার সাজেশন থাকবে বাজেট সামান্য বাড়িয়ে Tp link এর নতুন মডেলের একটি রাউটার কিনা।